আজ বৃহস্পতিবার | ৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ভাষা পরিবর্তনঃ বাংলা ইংরেজি

ই-পেপার ভার্সন দেখতে ক্লিক করুন  e-paper

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • দেশের খবর
    • খুলনা
    • টট্টগ্রাম
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • রাজনীতি
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • আরব
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • জাতিসংঘ
    • লাতিন
    • অন্যান্য
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য
  • বিনোদন
    • ঢালিউড
    • টলিউড
    • বলিউড
    • অন্যান্য
  • আইন ও আদালত
  • লাইফস্টাইল
  • অন্যান্য
    • শিক্ষাঙ্গন
    • উপসম্পাদকীয়
    • মুক্তমত
    • ফিচার
    • ভ্রমণ
    • স্বাস্থ্য কথা
    • ক্যারিয়ার
    • মিডিয়া
    • ধর্ম
    • তথ্য প্রযুক্তি
    • নারীমঞ্চ
    • প্রবাস
    • শিল্প-সাহিত্য
শিরোনাম
  • রমজান মাস জুড়ে চুয়াডাঙ্গায় সুলভমূল্যে আমিষ পণ্য বিক্রি শুরু
  • দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের
  • এমপিদের পেনশন বাতিল করলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট
  • মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন
  • প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সন্ধ্যায়
  • রাণীক্ষেত রোগ: পোল্ট্রি খাতে নীরব ঘাতক ও প্রতিরোধের করণীয়
  • শপথ নিতে সংসদ ভবনে প্রবেশ করছেন নবনির্বাচিত এমপিরা
  • আজ থেকে সারা দেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
  • কৃষিমন্ত্রী হচ্ছেন শামসুজ্জামান দুদু?
  • চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে জামানত হারালেন হাতপাখার প্রার্থীরা
  • দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের

    লিড, জাতীয় | ২:০৬ অপরাহ্ণ, বুধ, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ 32

    Share this…


    • Facebook


    • Messenger



    • Twitter


    • Linkedin

    আকাশ খবর ডেস্ক:
    শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি বিখ্যাত দর্শন হচ্ছে ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনের একটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। বাস্তবতা হচ্ছে—সে সুযোগটি তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। তার আমলে দেশে নতুন করে ৩০ লাখ লোক দরিদ্র হয়েছেন।
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে সৃষ্ট গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। ঠিকভাবে দায়িত্ব সামাল দিতে নিজের পছন্দমতো উপদেষ্টা পরিষদ ও বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেন। উপরন্তু বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ অভ্যুত্থানের পক্ষের রাজনৈতিক ও ছাত্র শক্তিগুলোর ব্যাপক সমর্থন ছিল তার প্রতি। যে কারণে ঘুনে ধরা রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, দুর্নীতি প্রতিরোধ, ব্যবসাবাণিজ্যসহ আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা আনার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তৈরির ব্যাপক সুযোগ ছিল ড. ইউনূসের। তিনি সেই সুযোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
    বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর আবদুল বায়েস বলেন, ‘তিনি একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল বিপর্যস্ত অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। অথচ তার সময়ে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রবাসী আয় ও রিজার্ভ বৃদ্ধি ছাড়া অর্থনীতির সব সূচকই ছিল নিম্নমুখী।ব্যবসাবাণিজ্যে ছিল আস্থার সংকট। শিল্প-কারখানাগুলোর উৎপাদন ছিল নিম্নমুখী। না ছিল কোনো নতুন উদ্যোগ, না এসেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ। উল্টো দেশে বেকারত্ব ও গরিব মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংকের হিসাবে প্রায় ৩০ লাখ নতুন দরিদ্র্য হয়েছে ড. ইউনূসের আমলে। ব্যক্তি খাতের গড় বিনিয়োগ চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন : ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতের গড় বিনিয়োগ হার ছিল জিডিপির ২৪ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুনে তা কমে ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমে আসে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এক বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট পতনের ঘটনাটি ছিল গত চার দশকের মধ্যে নজিরবিহীন।

    ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি : শুধু যে বেসরকারি বিনিয়োগ কমেছে তা নয়, সরকারি বিনিয়োগ গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়ন ছিল গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সরকারি বিনিয়োগ হিসেবে প্রচলিত এডিপি বাস্তবায়নের হার জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ছিল সাড়ে ১১ শতাংশ। গত ১০ বছরে এর চেয়ে কম এডিপি বাস্তবায়ন হয়নি।

    খেলাপি ঋণের হার বিশ্বে সর্বোচ্চ : ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে (৩০ সেপ্টেম্বর) দেশের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের স্থিতি ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকায় ঠেকেছে, যা বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। আগের বছরের ডিসেম্বর শেষেও বিতরণকৃত ঋণের ২০ দশমিক ২ শতাংশ খেলাপি ছিল। এর মধ্যেই ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ খেলাপি ঋণ বেড়েছে তা নজিরবিহীন। গবেষণা সংস্থার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার এখন বিশ্বে সর্বোচ্চ।

    ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা : নির্বাচিত সরকারের ঘাড়ে ২৩ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা রেখে বিদায় নিলেন ড. ইউনূস। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া সরকারি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে ব্যাংকিং উৎস থেকে ৬১ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা নিয়েছে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। এ ছাড়া আলোচ্য সময়ে আরও প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে।

    মজুরি হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি :

    ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সময়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ১ শতাংশের নিচে। দেখা যাচ্ছে, ভোক্তার মজুরি বাড়ার হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার এখনো বেশি। এ কারণে মানুষের আয়ের চেয়ে খরচ হচ্ছে বেশি। কমেছে ক্রয়ক্ষমতা। অথচ মূল্যস্ফীতি কমাতে সরকার নীতিনির্ধারণী সুদের হার বাড়িয়ে রেখেছে। এর ফলে ব্যাংক ঋণের সুদের হার বেড়ে গেছে। বেসরকারি খাতের ঋণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। বেড়েছে ব্যবসাবাণিজ্যে পরিচালন ব্যয়।

    অর্থনীতির সব সূচকে যখন বিপর্যয় নেমে এসেছে তখন বেড়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার বিদায়ি ভাষণে এ রিজার্ভ বৃদ্ধির বিষয়টি গৌরবের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। অর্থনৈতিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন যাওয়ার সময় স্বস্তি পাচ্ছি যে, আমরা অবস্থার মোকাবিলা করতে পেরেছি।

    আমাদের রিজার্ভের পরিমাণ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার। প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের টাকায় রিজার্ভ বাড়ছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।’

    ড. ইউনূসের এ রিজার্ভ রাজনীতির সমালোচনা করে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত শিক্ষক ও গবেষক ড. লুবনা তুরীন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, রিজার্ভ কোনো রাষ্ট্রের লক্ষ্য না, এটা একটা উপকরণ। লক্ষ্য হওয়া উচিত উৎপাদন সক্ষমতা, কর্মসংস্থান, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সর্বোপরি নীতিগত স্বাধীনতা। রিজার্ভ বাড়ছে কি না এ প্রশ্নের চেয়েও কনসার্নিং হচ্ছে, এ রিজার্ভ কোন দামে তৈরি হচ্ছে, কার ক্ষতির বিনিময়ে এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকে কোন কাঠামোয় আটকে রেখে। এ গবেষকের মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে, আমদানি সংকুচিত করে, শিল্প খাতকে চাপে ফেলে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাষ্ট্রকে ‘শক্ত’ দেখানের জন্যই রিজার্ভ বাড়ানোর দিকে মনোযোগী ছিলেন ড. ইউনূস।

    প্রতিশ্রুতি, দায় ও সুবিধা গ্রহণ : দায়িত্ব গ্রহণ করে জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ড. ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করবেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করবেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে সফল পরিণতি দিতে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা খাত এবং তথ্যপ্রবাহে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পূর্ণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করবেন, যার লক্ষ্য হবে দুর্নীতি, লুটপাট ও গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সূচনা। সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান ছাড়া তিনি তাঁর দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। তাঁর আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির অভিযোগ তাঁর সরকারের উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করাও হয়েছে। দুদক অভিযোগ তদন্ত করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা যে সম্পদের হিসাব দিয়েছেন তা নিয়েও রয়েছে জনমনে সন্দেহ ও বিস্তর প্রশ্ন। এমনকি তিনি প্রধান উপদেষ্টা পদে আসীন থেকে তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কর ছাড়াসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে থাকা শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থ পাচারের মামলা দ্রুত খারিজ হয়ে যাওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের কর মওকুফ ও সরকারিভাবে ব্যাংকে শেয়ারের পরিমাণ ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রামীণ গ্রুপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দ্রুত সরকারি অনুমোদন ও বিশেষ সুবিধা পায়। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা শহরে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটির অনুমোদন, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স, গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতি।

    সচেতন মহলের অভিমত, ড. ইউনূস বিদায়ি ভাষণে কতগুলো অধ্যাদেশ জারি করেছেন আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা প্রচার করলেও এসব সুবিধা নেওয়ার বিষয়ে কোনো জবাব দেননি। ১৮ মাস অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের দায়িত্বে থাকলেও তিনি দেশের গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংবাদ সম্মেলন করেননি। কেবলমাত্র তাঁর পছন্দের কিছু সাংবাদিকের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন, সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ১১টি সংস্কার কমিশন করে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সুপারিশ নিয়ে রাষ্ট্রের টাকায় ঢাউস সাইজের গ্রন্থ প্রণয়ন করলেও সেসব সংস্কারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেননি। তাঁর আমলে দেশের দুটি প্রধানসারির গণমাধ্যমে ভিতরে সাংবাদিক রেখে মব সৃষ্টি করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তিনি সরাসরি কোনো নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভিন্ন মত পোষণের কারণে তাঁর আমলেও একাধিক সাংবাদিককে জেলে পাঠানো হয়েছে। ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোর পাশাপাশি মাজার-মন্দির ভাঙার ঘটনা ঘটেছে। ঘটেছে বিচারবহির্ভূত হত্যকাণ্ড। ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর সময়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রমাণ ও নথিপত্রসহ অনেক ভাস্কর্য বিনষ্ট হলেও তিনি নীরব থেকেছেন। তিনি বিশ্বব্যাপী যে ‘তিন শূন্য’ (শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, শূন্য কার্বন নিংসরণ) নিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন, নিজে সরকার প্রধানের দায়িত্বে থেকেও তা অর্জন করতে পারেননি। বরং তার সময়ে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দুটোই বেড়েছে। এসব কিছুর পর ড. ইউনূস যখন আবারও তার পুরোনো কর্মে ফিরে যাবেন তখনো কি তিনি এই ‘তিন শূন্য’ অর্জনে বিশ্বকে মনোযোগ দেওয়ার কথা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারবেন? সচেতন মহলের এখন সেটিই জিজ্ঞাসা।

    Leave a Reply Cancel reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    এরকম আরো নিউজ

    প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সন্ধ্যায়

    শপথ নিতে সংসদ ভবনে প্রবেশ করছেন নবনির্বাচিত এমপিরা

    চুয়াডাঙ্গায় ৩৫৪ কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

    নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা : ইসি

    এককভাবে সরকার গঠনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

    সচিবালয়ে বিদায়ের সুর, চলছে নতুন সরকার বরণের প্রস্তুতি

    চুয়াডাঙ্গা-২ আসন; দুই হেভিওয়েটের লড়াই তুঙ্গে

    নির্বাচন হয়ে যাবে, সন্দেহের কারণ নেই : তৌহিদ হোসেন

    তালিম থেকে বিকাশ, ভিন্ন ভোটযুদ্ধ অন্দরমহলে

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা

    দেশে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

    চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা  

    সর্বশেষ খবর সর্বপঠিত খবর
    • রমজান মাস জুড়ে চুয়াডাঙ্গায় সুলভমূল্যে আমিষ পণ্য বিক্রি শুরু

    • দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের

    • এমপিদের পেনশন বাতিল করলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট

    • মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন

    • প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সন্ধ্যায়

    • রাণীক্ষেত রোগ: পোল্ট্রি খাতে নীরব ঘাতক ও প্রতিরোধের করণীয়

    • শপথ নিতে সংসদ ভবনে প্রবেশ করছেন নবনির্বাচিত এমপিরা

    • আজ থেকে সারা দেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

    • কৃষিমন্ত্রী হচ্ছেন শামসুজ্জামান দুদু?

    • চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে জামানত হারালেন হাতপাখার প্রার্থীরা

    • ‘শহিদ মিনারে অহেতুক ভিড় করা যাবে না’

    • ‘হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় স্পিরিট ব্যবহারে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক’

    • দর্শনায় ২৫ বোতল ইসকাফ উদ্ধার, আটক-১

    • টানা আন্দোলনে বন্ধ চুয়াডাঙ্গা বিএডিসি সারগুদাম

    • কুড়ুলগাছিতে প্রবাসীর কাছ থেকে টাকা ছিনতাই, আটক ২

    •  ভালাইপুরে দুই মুদি দোকানে জরিমানা

    • দামুড়হুদায় বিদ্যালয়ের সামনে দপ্তরিকে কুপিয়ে জখম

    • চুয়াডাঙ্গায় ৩৫৪ কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

    • ভোটের মাঠে কঠোর নিরাপত্তা, চুয়াডাঙ্গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত

    • ম্যাচ শুরুর আগের দিন বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ আমিরাতের খেলোয়াড়

    • আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, পুলিশ ও জনতার সংঘর্ষ

    • নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা : ইসি

    • মোটরসাইকেল চলাচলে ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা শুরু

    • এককভাবে সরকার গঠনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

    • সচিবালয়ে বিদায়ের সুর, চলছে নতুন সরকার বরণের প্রস্তুতি

    • মানুষের অধিকার রক্ষায় সুশাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিলেন জেলা জামায়াত আমীর

    • চুয়াডাঙ্গা-২ আসন; দুই হেভিওয়েটের লড়াই তুঙ্গে

    • শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রশাসন

    • দর্শনা রেলবাজারে রহস্যময় বাজার চুরি আতঙ্ক

    • চুয়াডাঙ্গা শহরে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ছাত্রশিবিরের লিফলেট বিতরণ

    • কার্পাসডাঙ্গায় বিএনপির মহিলা কর্মীদের নির্বাচনী সভা

    • ‘নারীরা তাদের ভোট দিবে এটি ভুয়া কথা’

    • ‘চাঁদাবাজির সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করতে চাই’

    • ঘরে ঘরে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছাতে হবে: সিআইপি টরিক

    • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে 

    • মেসিকে শৈশবের ক্লাবে ফেরানোর পরিকল্পনায় নিওয়েলস ওল্ড বয়েজ

    • মধ্যপ্রাচ্যে ১৭ ফেব্রুয়ারি রমজানের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কতটুকু

    • ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সমাবেশ করবে বিএনপি

    • নির্বাচন হয়ে যাবে, সন্দেহের কারণ নেই : তৌহিদ হোসেন

    • চুয়াডাঙ্গায় পিআইবি-র প্রশিক্ষণে নজিরবিহীন বৈষম্য ও মূলধারার সাংবাদিকদের অবমূল্যায়নের অভিযোগ

    • বেশি উপকার পেতে যেভাবে লেবু খেতে পারেন

    • নারী ক্রিকেটেও শুরু হচ্ছে এইচপি

    • ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল মিয়ানমার, কম্পন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশেও

    • শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী বাদল আর নেই

    • তালিম থেকে বিকাশ, ভিন্ন ভোটযুদ্ধ অন্দরমহলে

    • ‘প্রিন্স’ সিনেমায় কেমন হবে ফারিণের চরিত্র?

    • ১৫ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান

    • আবার সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৫৪২৪ টাকা

    • ঠেলার নাম বাবাজি, না-ভোটের লোক এখন হ্যাঁ বলছে : জামায়াত আমির

    • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা

    • চুয়াডাঙ্গায় শতাধিক ব্যক্তির অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক

    • আজ থেকে পরিবর্তন হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মোবাইল নম্বর

    • দীর্ঘ ৫২ বছর পর আপন ঠিকানায় আওয়ামীলীগ

    • চুয়াডাঙ্গায় নদী-খালের মাটি বিক্রি যাচ্ছে ইট ভাটায়, ধোরাছোঁয়ার বাইরে মাটিখেকোরা

    • সংকটে পাশে নেই তারা

    • ভাল নেই চুয়াডাঙ্গা

    • চুয়াডাঙ্গা পৌর নির্বাচন: সাবেক-বর্তমান নয়, মেয়র হবেন নতুন মুখ

    • রেকর্ড উৎপাদন তবুও চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিং

    • উত্তাপ নেই নির্বাচনে….

    • অভিশপ্ত বেকারত্ব জয় করার উদাহরণ শারমীন…

    • চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ৬টি গাঁজা গাছসহ মাদকব্যবসায়ী আটক

    • বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ এর খুলনা বিভাগীয় উপ কমিটি ঘোষণা

    • গাংনীর চোখতোলা-ধর্মচাকী রাস্তার কার্পেটিংয়ে বিটুমিনের পরিবর্তে পোড়া মবিল ব্যবহারের অভিযোগ; কাজ শেষ না হতেই উঠে পড়ছে খোয়া

    • ‌‌‌‌‌‌নির্বাচিত হলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাকে দেশসেরা পৌরসভা বানাবো: মেয়রপ্রার্থী টোটন

    • ভাল নেই মেহেরপুরের বাঁশের কারিগররা

    • এক সপ্তাহের মধ্যে ভাস্কর্যের সমস্যার সমাধান: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

    • জুম মিটিংয়ে খরচ ৫৭ লাখ : সচিবের লিখিত ব্যাখ্যা চাইলেন মন্ত্রী

    • দীপ্ত কৃষি ১০০০তম পর্বে  

    • আলমডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ ফার্মেসীকে জরিমানা

    • শিগগিরই এইচএসসিতে ভর্তি শুরু হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    • দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভার নির্বাচন ১৬ জানুয়ারি

    • করোনায় আক্রান্ত শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

    • গাংনীতে বেসরকারী সংস্থা মউকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    • আমরা অবিলম্বে ইব্রাহিমকে ফেরত দেওয়ার দাবি করছি। হিরা মনির ওপর

    • হলি আর্টিজানে হামলার ৪ বছর, নিহতদের ফুলেল শ্রদ্ধা

    • চুয়াডাঙ্গায় করোনা উপসর্গ নিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭

    • চুয়াডাঙ্গায় পিকআপের ধাক্কায় পথচারী নিহত

    • ঢাকার পথে লতিফুর রহমানের মরদেহ

    • করোনা মোকাবিলা করতে পারেন নাই

    • ছাত্রদল আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন

    • ৩৮তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের আবেদন শুরু কাল

    • ২০২২ সালের জুনে চালু হবে পদ্মা সেতু: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    • একদিনে আরও ৪১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৭৭৫

    • বাংলাদেশ সফরে আসছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান

    • চুয়াডাঙ্গায় শ্বাশুড়িকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ পুত্রবধূর বিরুদ্ধে

    • শীতে মুখের সাথে পায়ের যত্ন নেয়াও জরুরি

    • ভাস্কর্য হবেই; যারা ভাস্কর্য ভেঙেছে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে: কাদের

    • মাস্ক পড়ে যত্ন নিবেন কিভাবে

    • করোনা শনাক্তে শনিবার থেকে ১০জেলায় অ্যান্টিজেন পরীক্ষা

    • অবশেষে গ্রেপ্তার সাবরিনা, সাহেদ কোথায়?

    • দিল্লির উৎসবে ঢাকার পাঁচ ছবি

    • ছিন্নমুল মানুষের পাশে চুয়াডাঙ্গা ফাউন্ডেশন

    • মানববন্ধনে ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনের

    • দিল্লির চিঠি ভারতকে বাংলাদেশের কাছ থেকেও শিখতে হবে

    • ৫যুগ পর আপন ঠিকানায় চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগ

    • বিশ্বকাপ বাছাই: প্রথমার্ধেই ০-২ গোলে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    • জিয়ার আদর্শকে হত্যা করা যায়নি: রিজভী

    • করোনাকালে সুপ্রিম কোর্টের ৩৫ আইনজীবী মারা গেছেন

    • ক্রিকেটাররা ফিট আছেন, বিসিবিও খুশি

    • মধ্যেও ছাত্রদল, যুবদলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে

    এডিটর ইন চিফ: জান্নাতুল আওলিয়া নিশি
    © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আকাশখবর
    news.akashkhabar@gmail.com

    ই-পেপার ভার্সন দেখতে ক্লিক করুন  e-paper

    ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট - Akashkhabar

    Scroll
    অনুবাদ »