নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে কৃষিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে- এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালোভাবে চলছে। পিছিয়ে নেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও। ইতিমধ্যেই তাঁর ছবি পোস্ট করে অভিনন্দনও জানাচ্ছে অনেকে।
দলীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সরকার পুনর্গঠন বা মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য ব্যক্তিদের অংশ হিসেবে তার নাম বিবেচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
দলীয় সূত্র মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি বিষয়ে তার সম্পৃক্ততার কারণে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মত রয়েছে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে কৃষিখাতে নীতিগত কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলতে পারে।
চুয়াডাঙ্গা জেলার সন্তান শামসুজ্জামান দুদু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও এম.এস.সি. ডিগ্রী লাভ করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি ১৯৮৫ ও ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ইতিপূর্বে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক, বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংসদীয় রাজনীতিতেও তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ওই নির্বাচনটি অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দল বর্জন করেছিল। একই বছরের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ বিষয়ে বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা বলেন, মন্ত্রিসভা গঠন বা পুনর্গঠন সম্পূর্ণভাবে দলীয় প্রধান ও সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের সিদ্ধান্তের বিষয়। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া এ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।