নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার তিতুদহ ইউনিয়নের সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক নিহত রফিকুল ইসলাম রফিকের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদল। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া ও ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহাজান খাঁন।
গতকাল সোমবার নিহত রফিক ও আহত শফিকের বাড়িতে যান জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহাজান খান। এসময় তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, রফিক ভাই ছিলো দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। অনেক ত্যাগ শিকার করে দলকে ভালোবেসে গিয়েছে। দলের প্রতি তার যেমন আনুগত্য ছিলো রফিক ভাইয়ের হত্যা আমরা মেনে নিতে পারেনি আমরা চাই এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার। তাকে অন্যায় ভাবে যারা হত্যা করেছে দলীয় যারা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে দল কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারাই এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে কোনো হঠকারিতার স্থান দেবে না দেবে না। অন্যায় করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।
এ সময় ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দদের কাছে পেয়ে নিহত রফিকের পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে রফিকুল ইসলামের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন সভাপতি শাহাজান খাঁন। পরবর্তীতে নিহত রফিকুল ইসলাম রফিকের কবর জিয়ারত করেন জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। এ সময় সাথে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দীন আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকন জোয়ার্দ্দার, জেলা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সৌরভ আরেফিন শাওন, জেলা ছাত্রদলের সদস্য মাসুদ রানা শুভ, সহ-যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন আলী, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক শুকুর আলী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইকরা, মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের হাসিব, মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সানোয়ার হোসেন শানু, তিতুদহ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি পিন্টু ও নিহত রফিকের সন্তান ছাত্রদলের রাব্বিসহ নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বেলা ১১টার দিকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রফিকুল ইসলাম রফিকে।