নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহম্পতিবার চুয়াডাঙ্গা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জেলা যুবদলের সহসভাপতি তৌফিকুজ্জামান তৌফিকের সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশিদ ঝন্টুর সংকলনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।
শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদেরকে বার বার একটি নির্দেশনার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তিনি বলেছেন, এবারের নির্বাচন পতিত স্বৈরাচার সরকারের বিগত নির্বাচনগুলোর মত হবে না, হতে দেয়া যাবে না।এবারের নির্বাচন হবে গণতন্ত্রের নির্বাচন। আমরা চাই এই নির্বাচনে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করবে।
শরীফুজ্জামান আরও বলেন, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে৷মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের একজন হতে হবে। বিগত ১৬ বছরে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমাদের যে আন্দোলন তা চালিয়ে যেতে হবে। আমরা মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে যে আন্দোলন বছরের পর বছর ধরে চালিয়ে এসেছি, তা এবারের ভোটে মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়ে পূর্ণতা আনতে হবে।
তিনি বলেন, যুবদল জাতীয়তাবাদী দলের শুধু সহযোগী সংগঠনই নয়, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার যে লড়ায় তার সহযোদ্ধাও। তাদের ঐক্য দলকে সহযোগিতা করেছে সকল আন্দোলনে নির্ভয়ে এগিয়ে যেতে। যুবদলের নেতাকর্মীদের স্মরণ রাখতে হবে জাতীয়তাবাদী আদর্শ শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আমরা তার আদর্শের সৈনিক। যিনি কিনা তার ব্যবহার ও ভালোবাসা দিয়ে আজও মানুষের হৃদয়ে রয়েছেন।
একটি কথা যুবদলের প্রতিটি নেতা থেকে কর্মী, সমর্থক সকলকে মনে রাখতে হবে, একজন কর্মীর দ্বারাও যেন এই সংগঠনের গায়ে দাগ না লাগে। যদি কেউ তার চেষ্টা করেন, তাহলে ছাড় দেয়া হবে না। কিন্তু যদি নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করেন, তাহলে নিশ্চয় দল তাকে যোগ্য সম্মান দেবে। যুবকদেরকেই আগামীর দেশ পরিচালনা করতে হবে, তাই তাদের আচরণ যেন অনুকরণীয় হয়।
শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, আমাদের আন্দোলন সার্থক হবে তখনই, যখন এই দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন একজন যোগ্য নেতা। যিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মননে ধারণ করে দেশের প্রতিটি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করবেন। অশিক্ষা থেকে মুক্তি, ক্ষুধা থেকে মুক্তি, অন্যায় থেকে মুক্তি, পরাধীনতা থেকে মুক্তি দেবেন। তিনি আমাদের নেতা তারেক রহমান।
জেলা বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, পতিত স্বৈরাচার সরকার আমাদের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিলো । আমরা চুপ করে থাকিনি। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের আদর্শের যে চিন্তা, ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে আমরা এ জেলার প্রতিটি গ্রাম থেকে মহল্লায় তা জানিয়ে ছুটে চলেছি৷আমাদের এই চলা গণআকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত থামবে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার আব্দুল জব্বার সোনা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা ফখরুল ইসলাম শিপলু, শফিকুল ইসলাম পিটু, খালিদ মাহামুদ মিল্টন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বিপ্লব।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ মো. রাজীব খান, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু। আর উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সহসভাপতি আনিসুজ্জামান আনিস , নাসির উদ্দিন খেদু, জেলা জাসসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাবলু, সহ-সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ আমির, সাইফুল ইসলাম সুমন, আরিফ হোসেন, জাইদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান মুকুল, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, দপ্তর সম্পাদক মামুন উর রশিদ টনিক সহ-দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান, সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জাহিন শেখ, সহ-গ্রাম ও সরকার বিষয়ক সম্পাদক আবু সাইদ, সদর উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান মিশর, যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হানুল ইসলাম কাজল, হাফিজুর রহমান, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক বিপুল হাসানের হাজী, সদস্যসচিব আজিজুল হক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিলন আলী লিমন, যুগ্ম আহ্বায়ক লালন সরদার, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আওয়ালুজ্জামান রাসেল , আলমডাঙ্গা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক নাজিম মোল্লা, সদস্যসচিব সাইফুল আলম কনক, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু, সদস্যসচিব মাহফুজুর রহমান মিল্টন, যুগ্ম আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, সেলিম, সোহেল রানা, দর্শনা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক হোসেন, আপু, দশনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন লিটন, সদস্যসচিব সাজেদুর রহমান মিলন, যুগ্ম আহ্বায়ক টুটুল, মো. সরোয়ার হোসেন, শামিম রেজা, মনিরুল ইসলাম মনি, মরশেদুল ইসলাম লিংকন প্রমুখ।