দর্শনা অফিস:
দর্শনা কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। এ পর্যন্ত কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে যে কমিটি ক্ষমতায় থাকে তারাসহ বিরোধী দলীয় কমিটি নির্ধারন করে দেয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। তবে ২০২৫ সালের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নিজের ইচ্ছামত গঠন করেছে বলে অভিযোগ উঠছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তারের বিরুদ্ধে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নির্বাচন কমিটি গঠন হয়। নির্বাচিত প্রতিনিধি ও বিরোধী দলীয় নেতাদের সমন্বয়ে এবং কেরুজ সভাপতি স্বাক্ষরিত একটি পুর্ণাঙ্গ নির্বাচন কমিটি। বিশেষ কারণ বশত ওই নির্বাচন কমিটি দ্বারা নির্বাচনী তফসীল ও নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। ফলে গত ৬ মার্চ যে নির্বাচন কমিটি দ্বারা তফসিল ঘোষনা করা হয় পূর্বের নির্বাচন কমিটি হতে একজন পরিবর্তন করা হয়। সে পরিবর্তন বর্তমান নির্বাচিত প্রতিনিধি বা বিরোধীদলের সাথে কোন প্রকার আলোচনা না করে নিজেদের মনগড়া নির্বাচন কমিটির সদস্য সংযোজন করেন নির্বাচন কমিটি যা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও অবৈধ বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শ্রমিক ও কর্মচারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ ২০২৫ তারিখের স্মারক নং- ৪০.০২.৫০০০.০০০.৩০৯৩৪.০০১৩.২২-১৪৯ মোতাবেক তৌফিক হোসেন, সহকারী পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) আঞ্চলিক শ্রম দপ্তর, কুষ্টিয়া একটি উদ্দেশ্যে প্রণোদিত চিঠি ইস্যু করে। যাহা সাংবিধানিক সংকট তৈরি করেছে বলে দাবী করেন সবুজ ও হাফিজ। কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধি অবৈধ বা বাতিল করলে (নির্বাচন পরিচালনা কমিটির) বৈধতা কে দেবে বা নতুন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কে করবে? তাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত পূর্ববর্তী কমিটি দায়িত্ব পালন করিতে পারবে বলে দাবী করছে পূর্বের নির্বাচিত কমিটি।
কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন নির্বাচন-২০২৫ এ বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি কর্তৃক নির্বাচন পরিচালনা করলে নির্বাচন বিতর্কিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বর্তমান সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ ও সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুছ ছাত্তার বলেন, আমি এ কমিটিতে একজনকে নতুন করে নিয়ে এসেছি। সেটি কেরু অ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান স্বাক্ষর করেছেন।