দর্শনা অফিস:
দর্শনা পৌর এলাকার পরানপুর মাঠ থেকে দুইটি স্যালোমেশিন চুরির ঘটনায় তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। গত মঙ্গলবার রাতে পরানপুর বটজল মাঠ ও বেঁতোগাড়ী মাঠ থেকে দুইটি স্যালোমেশিন চুরি হয়। পরানপুর গ্রামের মৃত হাবিল মন্ডলের ছেলে মনিরুল ইসলামের বটজল মাঠ ও একই গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে রুবেল হোসেনের বেঁতোগাড়ী মাঠ থেকে স্যালোমেশিন চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় পরানপুর গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম (৩৫) ও আব্দুল মোমিনের ছেলে সিদ্দিক আলী (৩০) কে ছুরির অভিযোগে মারপিট করে মোসলেম উদ্দিনের ছেলে রুবেল হোসেন ও তার সহযোগীরা। এতে আরিফুল ইসলামের ডান পায়ের হাড় ফেটে গেছে এবং সিদ্দিক আলী মারাত্মক জখম হয়। মারপিটের একপর্যায়ে আরিফুল ও সিদ্দিক তাদের চুরি যাওয়া মালামাল ফেরত দিতে রাজি হয়। এছাড়া চুরি যাওয়া স্যালোমেশিনের মালামাল ফেরত দেওয়ার জন্য ৫ দিনের সময় দেয়। পুলিশের কাছে সোপর্দ না করার সিদ্ধান্তে ৫দিনের সময় দেয়া হয়েছে। আরিফুল ইসলাম ও সিদ্দিক আলীর মারপিট করার এক পর্যায়ে গ্রামের বেশ কয়েকজন অরিফুল ইসলামের ভাই শরিফুল ইসলামকে তার বাড়ি থেকে ধরে আনতে গিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়। আহতরা হলেন, পরানপুর গ্রামের শরিফুলের ছেলে বিজয় (১৮), তার স্ত্রী সালমা খাতুন (২৪), সন্নতের ছেলে সাহেব আলী (২৮) ও আব্দুর রহিমের ছেলে রিপন (৪০) আহত হয়।
এরপর বিকাল সাড়ে ৫টায় এ ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে পরানপুর পুরাতন ঈদগা পাড়ার রমজানের চায়ের দোকানে ৮-৯ বসে চা খাওয়ার সময় হাজী সাহেবের মেহেগুনি বাগান থেকে কে বা কারা একটি শক্তিশালী বোমা নিক্ষেপ করে। বোমাটি মেহেগুনি গাছের ডালে লেগে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে এলাকা প্রকম্পিত হয়। তবে কেউ আহত হয়নি। বোমাটি বেশ শক্তিশালী বলে স্থানীয় লোকজন জানান। মোবাটির মধ্যে কাঁচের মারবেল ছিলো চায়ের দোকানের লোকজন জানান।
এ বিষয় দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মুহম্মদ শহীদ তিতুমীর বলেন, বিকালের চুরি ঘটনাটি স্থানীয় নেতা বুলেট ও নাহারুল মীমাংসা করে দিয়েছে। পরে বোমার ঘটনা ঘটেছে এ বিষয় তো আমি জানি না।