শেখ লিটন:
চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের প্রায় সব ধরনের রাস্তায় রাখা হয় নির্মান সামগ্রী। একদিন দুদিন নয়, দিনের পর দিন ওইসব সড়ক দখলে নির্মাণ সামগ্রীর। এতে যেমন রয়েছে ঝুঁকি, তেমনি চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। অপরদিকে হারাচ্ছে শহরের সৌর্ন্দয। আইন অমান্য করে রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রী রেখে বহুতল ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনার কাজ করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার শহর ঘুরে গেছে, শহরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক বড়বাজার-কোর্ট মোড়। এই সড়কের দুপাশ ঘেঁষে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে ইট বালু সিমেন্ট। এসব নির্মাণ সামগ্রী রাস্তার ওপর রেখে নির্মাণ হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে সড়কে চলার সময় দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে পথচারিদের। নির্মাণ সামগ্রী রাখায় সড়কের প্রশ^স্ততাও কমে যাচ্ছে। বাড়ছে ছোট বড় সব ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা।
অভিযোগ রয়েছে, পৌর সড়কের পাশে ইট, বালু, সিমেন্ট, রডসহ আরো অন্যান্য সামগ্রী রেখে ব্যবসা করছে প্রভাবশালীরা। আইন তোয়াক্কা না করেই সড়ক দখলে নিয়ে বসে আছে। এছাড়া শহরের সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের কারখানা স্থাপনা আছে। ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পন্য সাজিয়ে রাখা হয় সড়কের ওপর। এতে পথচারি চলাচলে পথ আরও রুদ্ধ হচ্ছে।
এক পথচারি আনারুল ইসলাম বলেন, দিনকে দিন এই শহরের রাস্তা দখল হয়ে যাচ্ছে। রাস্তার ওপর নির্মাণ সামগ্রী রেখে কাজ করছে ভবনের। ফলে রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটার জো নেই। নির্মাণ সামগ্রী রাস্তার ফেলে রাখা এক ধরনের অন্যায় ও অপরাধ।
আরেক পথচারি রফিকুর রহমান বলেন, সড়কের ফুটপাতগুলো দখল করে রেখেছে কিছু ব্যবসায়িরা। এ সমস্যা দুএকদিনের নয়, দীর্ঘদিন ধরেই জেলা শহরের সড়কগুলো এমনই।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় আলোচনা হয়েছে। সড়কের পাশে নির্মাণ সামগ্রী রেখে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা আইনত অপরাধ। শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সড়ক বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্মাণ সামগ্রী যেন রাস্তায় না থাকে সেজন্য বিষয়টি পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে তদারিক করার নির্দেশ দেয়া আছে। শহরের সৌন্দর্য ফেরাতে যেকোন ধরনের ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন।