দর্শনা অফিস:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় কেরু নিবার্চনকে সামনে রেখে ভোটাধিকার ফিরে পেতে শ্রমিকদের সকালে মানববন্ধন করেন। এরপর বিকালে তারা ভোটাধিকার ফেরত পেলেন। গতকাল বুধবার বেলা ১০টার দিকে কেরুজ জেনারেল অফিসের সামনে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিরা ভোটাধিকার ফিরে পেতে মানববন্ধন করেন। তারা দাবী করেন, গত ২০০৩ সালের নির্বাচনে ভোট প্রদান করেছি। তাহলে ২০২৫ সালের নির্বাচনে কেন ভোট দিতে পারবো না প্রশ্ন রেখে অনতিবিলম্বে ভোটাধিকার প্রয়োগের দাবী করেন। এরপর গতকাল বুধবার বিকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শ্রম অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক জহিরুল হোসেন প্রেরিত একটি পত্র কুষ্টিয়া আঞ্চলিক শ্রম অধিদপ্তরকে জানান, স্থায়ী মৌসুমি ও চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকরাও ভোটে অংশ নিতে পারবে। এ খবর পেয়ে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকরা উল্লাসিত হয়ে পড়েন।
ফলে দর্শনা কেরুজ দ্বি-বার্ষিকী নিবার্চন-২০২৫ এ স্থায়ী, মৌসুমি, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক ও কর্মচারীর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে আর কোন বাঁধা রইলো না। তাই নির্বাচনী আমেজও যেন আরো কয়েকগুণ বেড়ে গেছে এই নির্বাচনে।
উল্লেখ্য, গত ০৩রা ফেব্রুয়ারী চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক ও কর্মচারীরা ভোটে অংশ নিতে পারবে না বলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শ্রম অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক জহিরুল হোসেন প্রেরিত একটি পত্র কুষ্টিয়া আঞ্চলিক শ্রম অধিদপ্তরকে জানান। এর প্রেক্ষিতে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকরা গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় কেরু জেনারেল অফিসের সামনে প্রতিবাদ করে মানব বন্ধন করেন। ঐ একই দিন বিকালে সাড়ে ৪টার দিকে আর একটি চিঠি আসে। সেই চিঠিতে উল্লেখ থাকে যে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকরাও ভোটে অংশ নিতে পারবে। ফলে ২৫টি পদের অনুকুলে প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবে। গত ২০২৩ সালে কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচনে ১হাজার ১৮৯ জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেন। তবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি-২০২৫ তারিখের নির্বাচনে এখনো চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। চুড়ান্ত ভোটর প্রকাশ করা হলে ভোটার কিছু বাড়বে বা কমতে পারে বলে সংশিষ্ট মাধ্যমে জানা গেছে। যদি চুক্তিভিত্তিক বাদে ভোট হতো তাহলে ৭১৪ জন স্থায়ী ও মৌসুমি ভোটোরে অধিনে ১৩টি পদে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো। চুক্তিভিত্তিক শ্রমিরা ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ায় গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে প্রার্থীরা জোরেসরে ভোটের প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে।