দর্শনা অফিস:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা রেলবাজারস্থ আল-আমিন ফার্মেসীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নাম ভাঙিয়ে ফোনে চাঁদাদাবী করা হয়েছে। এ ঘটনায় দর্শনা পৌর এলাকার মোহাম্মপুরের আলোচিত আলমগীরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ।
আল-আমিন ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী আল-আমিন বলেন, গত সোমবার সন্ধা সোয়া ৭ টার দিকে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আল-আমিন ফার্মেসীতে এসে মোবাইল নাম্বার নিয়ে যায় দর্শনা মোহাম্মপুরের মৃত: আরমান আলী ওরফে বড় মিয়ার ছেলে আলোচিত চোর আলমগীর। কিছুক্ষণ পরেই ০৯৬৯৬৫২৭০০৯৪ নাম্বার থেকে ফোন আসে আমার কাছে। ফোনে চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ বলে পরিচয় দেন এবং ফোনে বলেন, আমরা আগামীকাল মঙ্গলবার দর্শনায় ৭টি ফার্মেসীতে অভিযান চালাবো। তার ভিতরে আল-আমিন ফার্মেসীর নাম আছে চার নম্বরে। আমার শ্বশুর বাড়ি পরাপুর বেলে মাঠ পাড়ায় হওয়ায় মাঝে মাঝে আপনার দোকান থেকে ওষুধ কিনি। সেজন্য আপনার দোকানে কোন ক্ষতি হবেনা আপনি ২ হাজার টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আমি মাত্র তিন মাস হচ্ছে চুয়াডাঙ্গাতে যোগদান করেছি। এর আগে আমি বরগুনা ফরিদপুর ও মাগুরায় ছিলাম। আমি আপনার লিষ্ট থেকে নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছি আমার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট স্যারের গোপন নাম্বার দিচ্ছি আপনি ওই নাম্বারে ২ হাজার টাকা বিকাশ করুন। আমি স্যারের বলবো স্যার আল-আমিন ফার্মেসী তেল খরচ দিচ্ছে। এ বিষয়ে আমি সাথে সাথে দর্শনা থানায় রেকডিং ও ছবিসহ একটি অভিযোগ করি।
এ ঘটনায় দর্শনা থানার ওসি লুৎফুল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমার কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছে। উন্নত প্রযুক্তিতে কাজে লাগিয়ে প্রতারককে আইনের আওতায় আনা হবে।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ বলেন, আমি অডিও ক্লিপটি শুনেছি এবং সাথে সাথে দর্শনা থানার ওসির কাছে বিষয়টি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলেছি। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রতারনা করে যারা মোবাইল ফোনে আমাদের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাদাবী করে আপনারা মোবাইলে অথবা বিকাশে টাকা দেবেন না। যতোই ভয় ভীতি দেখাক। আর আপনারা ভীত না হয়ে সাথে সাথে পুলিশকে জানান এবং এই সব প্রতারণা থেকে প্রত্যেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক থাকতে বলেছে ভোক্তা অধিকার।